পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে “অন্নপূর্ণা যোজনা” নামে একটি প্রকল্প চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই প্রকল্প নিয়ে সরকারি নোটিফিকেশন জারি হয়েছে এর এই প্রতিবেদনটিতে আমরা আপনাদেরকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প বা অন্য মুন্ডা ভান্ডার যোজনা অফিসিয়াল নোটিফিকেশনে যে মূল পয়েন্ট বা তথ্যগুলি তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন দিয়ে আপনাদের জন্য।
অন্নপূর্ণা ভান্ডার নোটিফিকেশন - Annapurna Bhandar notification West Bengal
এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আপনারা অন্য ভান্ডার যোজনা নিয়ে সঠিক অফিসিয়াল ইনফরমেশন আপনারা জানতে পারবেন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের সকল মহিলাকে মাসিক ₹৩,০০০ টাকার নিশ্চিত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, যাতে মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক-আর্থিক উন্নয়ন নিশ্চিত হয়। নিম্নলিখিত শর্তসাপেক্ষে এই সুবিধা প্রদান করা হবে— অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার অফিসিয়াল নোটিফিকেশনে যে শর্তগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেই শর্তগুলি নিচে দেখে নিন। এই সত্য গুলির মধ্যে যদি আপনি যোগ্য হন তাহলে কোন চিন্তার কারণ নেই আপনি অবশ্যই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা জুন মাস থেকে পাবেন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজানা কারা পাবেন, কারা পাবেন না। কী করতে হবে?
১. যোগ্যতার শর্তাবলি:
(i) আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
(ii) আবেদনকারী কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের কোনো স্থায়ী সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না এবং নিয়মিত বেতন বা পেনশন গ্রহণকারী হতে পারবেন না। এর মধ্যে সরকারি সংস্থা, সরকারি উদ্যোগ, পঞ্চায়েত, পৌরসভা, স্থানীয় সংস্থা, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা অশিক্ষক কর্মচারীরাও অন্তর্ভুক্ত।
(iii) আবেদনকারী আয়কর (Income Tax) প্রদানকারী হতে পারবেন না।
২. আর্থিক সহায়তা:
প্রতি মাসে ₹৩,০০০ টাকা সরাসরি DBT (Direct Benefit Transfer)-এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীর আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।
এই সুবিধা ১ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
৩. লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্থানান্তর:
বর্তমান -এর সকল সুবিধাভোগীকে নতুন -তে স্থানান্তর করা হবে।
তবে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে নাম বাদ পড়তে পারে—
- মৃত ব্যক্তি
- অন্যত্র স্থানান্তরিত ব্যক্তি
- মুছে ফেলা ভোটার
- অনুপস্থিত ভোটার
- SIR-2026 যাচাইয়ে চিহ্নিত নাম
যারা SIR ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন বা Citizenship (Amendment) Act অনুযায়ী আবেদন করেছেন, তাঁদের আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন প্রকল্পের সুবিধা চালু থাকবে।
ভবিষ্যতেও মৃত বা স্থানান্তরিত সুবিধাভোগীদের নাম নিয়মিতভাবে বাদ দেওয়া হবে।
৪. নতুন আবেদন:
নতুন আবেদনকারীদের জন্য ১ জুন ২০২৬ থেকে -এ অনলাইন আবেদন শুরু হবে।
৫. যাচাই প্রক্রিয়া:
- গ্রামীণ এলাকায় Block Development Officer (BDO)
- শহর এলাকায় Sub-Divisional Officer (SDO)
যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকা যাচাই করে জেলা শাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাবেন।
কলকাতা পৌর কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে এই কাজ KMC-এর আধিকারিকরা সম্পন্ন করবেন। অনুমোদিত আবেদনগুলির তদন্ত রিপোর্ট পোর্টালে আপলোড করা হবে।
৬. অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ:
- জেলার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট District Magistrate (DM) অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ হবেন।
- কলকাতা পৌর কর্পোরেশন এলাকায় KMC Commissioner অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ হবেন।


কোন মন্তব্য নেই